টেকনাফ সরকারি হাসপাতালের প্রবেশপথে অবৈধ স্থাপনা এবং ভাসমান দোকান ও টমটম গাড়ির পার্কিং এর কারণে সেবা গ্রহীতা এবং জরুরী রোগীরা সহজে হাসপাতালে সেবা নিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।এমনকি প্রসূতি নারীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।একজন নাগরিকের চারটি মৌলিক অধিকারের মধ্যে চিকিৎসা হচ্ছে একটি মৌলিক অধিকার।এই মৌলিক অধিকার পেতে দূরদূরান্ত থেকে সেবা গ্রহীতারা চলে আসে সরকারি হাসপাতালে।স্থানীয় সেবা গ্রহীতারা রোহিঙ্গাদের চাপের কারণে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।টেকনাফে তিন লাখ মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তার মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা রোগীদের চাপ এবং এ চাপে স্থানীয় নারী পুরুষ ও শিশু রোগীরা চিকিৎসা সেবা পেতে বিরম্বনার শিকার হচ্ছে। প্রতিদিন সরকারি হাসপাতালে আউটডোর এবং ইনডোরে শত শত রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। উপজেলা সরকারি হাসপাতালটি আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও কিন্তু হাসপাতালের সামনে ময়লা আবর্জনা এবং অবৈধ স্থাপনা দীর্ঘদিন থেকে নোংরা পরিবেশে নিমজ্জিত।এমনকি হাসপাতালের প্রবেশদ্বারে রাস্তার দুপাশে অবৈধ স্থাপনা এবং টমটম গাড়ির পার্কিং এর কারণে হাসপাতাল মুখি রোগীরা জরুরী সেবা নিতে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া সরকারি হাসপাতালের আশপাশে ময়লা আবর্জনা এবং নালা নর্দমা দিয়ে পানি নিষ্কাশনে বাঁধাগ্রস্ত হয়ে দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। হাসপাতালের প্রবেশপথের দুপাশের অবৈধ স্থাপনা এবং ভাসমান দোকান জনস্বার্থে উচ্ছেদ করে সেবা গ্রহীতাদের জন্য অবাধ যাতায়াতের উন্মুক্ত করনের ব্যবস্থা করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি টেকনাফ পৌর শহরের স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্থাপনা এবং ফুটপাতে ভাসমান দোকান উচ্ছেদ অভিযান চলছে। তারই অংশ হিসাবে টেকনাফ সরকারি হাসপাতালের সামনে অবৈধ স্থাপনা এবং ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করনে টেকনাফ পৌরসভার সচেতন নাগরিকেরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এ প্রসঙ্গে টেকনাফ পৌর প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার এইস এম অনীক চৌধুরীকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি অতি শীগ্রই ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
Copyright © 2026 AmaderTeknaf.Com. All rights reserved.
Developed By : Azad Web IT