বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মানব পাচার প্রতিরোধে অঙ্গীকার টেকনাফে সাংবাদিকদের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ রচনা লিখে পুরস্কার পেলেন কক্সবাজারের ৬ শিক্ষার্থী চকরিয়ায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উদ্যোগে বন্যার্ত ৮০০ নারী-পুরুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ: টেকনাফে ৮০ হাজার ইয়াবা সহ ছদ্মবেশী মাদক কারবারী ইমন আটক তিন প্রতিষ্ঠানের ‘জ্যাম’ ও ‘কেক’ বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ ফটিকছড়িতে হরতাল পালিত হয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন প্রয়াত বিএনপি নেতার ছেলেকে সরানোর সুপারিশ; আওয়ামী লীগ নেতা হেলালকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করতে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর ডিও লেটার ভাইরাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক-৩ কুতুবদিয়ায় ট্রলারডুবিতে ৪ জেলের মৃত্যু, নিখোঁজ এক জেলে ট্রলারসহ ৫ রোহিঙ্গাকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

টেকনাফে সরিষা চাষে বাম্পার ফলন, নতুন স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা:

জিয়াবুল হক: / ১২৯ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় চলতি মৌসুমে সরিষার ব্যাপক চাষ হয়েছে। যেদিকে চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। মৌমাছিদের গুনগুন শব্দে এখন মুখরিত সরিষার মাঠগুলো। প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন পেয়েছে কৃষকেরা। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন উপজেলার অন্তত কয়েক শতাধিক কৃষক।

টেকনাফ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি অফিসার শফিউল আলম বলেন, চলতি মৌসুমে রবি ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন কৃষি জমিতে  ১৫ হেক্টর সরিষা চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালী ও লম্বরী এলাকার ৬ হেক্টর, হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও বাহারছড়া ইউনিয়নের মারিশবনিয়া, দক্ষিণ শিলখালী এলাকায়   সরিষা চাষ এখন কৃষকের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, টেকনাফ উপজেলার ১৫ হেক্টর জমিতে এবছর সরিষা উৎপাদন বাম্পার ফলনের সম্ভবনায় দেখা যাচ্ছে।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লম্বরী এলাকার কৃষক করিম উল্লাহ বলেন, এবার ৩০ শতক জমিতে সরিষার চাষ করেছেন। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার বাম্পার ফলন পেয়েছে। এছাড়াও বাহারছড়া ইউনিয়নের কৃষক আবদুর রহিম, হ্নীলা ইউনিয়নের কৃষক জসিম উদ্দিন বলেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় সরিষা চাষে খরচ কম। জমিতে বেশি পরিশ্রম করা লাগেনা। কম সময়ের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। তাতে লাভও হয় বেশি।
এব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হুমায়ুন কবির বলেন, উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম ও দাম ভালো পাওয়ায় সরিষা চাষে কৃষক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। চলতি মৌসুমে চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। আবহাওয়া সরিষা চাষের উপযোগী হওয়ায় গত বছরের মতো এবারও সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চাষ শুরু করার আগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় সরিষা চাষে জড়িত কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা হিসেবে সার, বীজ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার অন্তত শতাধীক কৃষক সরিষা চাষে সরকারি সহায়তা পেয়েছেন।
কৃষিবিদ হুমায়ুন কবির আরও বলেন, সরিষা চাষে বাড়তি জমির প্রয়োজন হয়না। শীতের শুরুতে আমন ধান ও সবজি কাটা শেষ হওয়া মাত্র সময়ে সরিষা আবাদ করা হয়। দুইমাসের মধ্যে সরিষা তুলে নিয়ে একই জমিতে পুনরায় বোরো চাষ শুরু করেন কৃষককেরা। অর্থাৎ সরিষা উৎপাদনের কারণে একবছরে তিন ফসলী জমি এখন চার ফসলীতে রূপান্তরিত হয়েছে। সরিষা চাষে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, তেমনি পরিবারের জন্য সরিষা তেলের ঘাটতি পুরণ করতে সফল হচ্ছেন কৃষককেরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
Developed By AZAD WEB IT