মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মানব পাচার প্রতিরোধে অঙ্গীকার টেকনাফে সাংবাদিকদের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ রচনা লিখে পুরস্কার পেলেন কক্সবাজারের ৬ শিক্ষার্থী চকরিয়ায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উদ্যোগে বন্যার্ত ৮০০ নারী-পুরুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ: টেকনাফে ৮০ হাজার ইয়াবা সহ ছদ্মবেশী মাদক কারবারী ইমন আটক তিন প্রতিষ্ঠানের ‘জ্যাম’ ও ‘কেক’ বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ ফটিকছড়িতে হরতাল পালিত হয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন প্রয়াত বিএনপি নেতার ছেলেকে সরানোর সুপারিশ; আওয়ামী লীগ নেতা হেলালকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করতে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর ডিও লেটার ভাইরাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক-৩ কুতুবদিয়ায় ট্রলারডুবিতে ৪ জেলের মৃত্যু, নিখোঁজ এক জেলে ট্রলারসহ ৫ রোহিঙ্গাকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

উখিয়ায় ‘জয় বাংলা’ লেখা ঘিরে সংঘর্ষ, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু

আমাদের টেকনাফ ডেস্ক: / ৫৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৫:২৭ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের উখিয়ার টাইপালং এলাকায় ‘জয় বাংলা’ লেখা ঘিরে কয়েকদিন ধরে চলা উত্তেজনা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। এ সময় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মারধরে ছৈয়দা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৭ মে) রাত ৮টার দিকে টাইপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ছৈয়দা বেগম রাজাপালং ইউনিয়নের ছব্বির আহমদের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে টাইপালং মাদ্রাসার দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জিসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগ নেতা ইউনূস ‘হা হা’ রিয়েক্ট দিলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনূসকে আটক করে মারধর শুরু করে। এসময় এনজিওকর্মী এসএম ইমরান তাকে রক্ষার চেষ্টা করলে তাকেও মারধর করা হয়।

পরে খবর পেয়ে ইমরানের মা ছৈয়দা বেগম ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের সন্তান এসএম ইমরান অভিযোগ করেন, “স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজান সিকদার, আব্দুল করিম, আকাশ, সাইফুল সিকদার, ছৈয়দ বাবুল, মাহবুবুর রহমান, ছাত্রদল নেতা জিসান ও অ্যাম্বুলেন্স চালক শামসুল আলমের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে আমার মা ছৈয়দা বেগমকে হত্যা করা হয়েছে।”

অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা হাসেম সিকদার জিসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ঘটনার সময় আমি আমার অফিসে অবস্থান করছিলাম। ইমরান নামের ছেলেটিকে আমি বিভিন্ন সময় নানাভাবে সহযোগিতা করেছি। তার সঙ্গে আমার কখনো কোনো বিরোধ বা খারাপ সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু কেন তিনি আজকের ঘটনায় আমার নাম উল্লেখ করেছেন, তা আমি বুঝতে পারছি না।”

এদিকে, সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে ছাত্রলীগ নেতা ইউনূসকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “ওই নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
Developed By AZAD WEB IT