সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ায় ৪ একর বনভূমি জবরদখলমুক্ত, উচ্ছেদ ৭ স্থাপনা সাবরাং ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে নুরুল আলম টেকনাফকে বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা টেকনাফে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র-গুলিসহ ৩ জন আটক টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১৪ লাখ ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী আটক উখিয়া-টেকনাফে জেলা পুলিশের বড় সাফল্য: আত্মসমর্পণের ডাকে সাড়া দিয়ে ফিরছেন শীর্ষ ডাকাত ও মানব পাচারকারীরা দুর্নীতি মামলায় সাময়িক বরখাস্ত বান্দরবান সদর উপজেলার পিআইও টেকনাফে হ্নীলায় জামাল মার্কেটে ভয়াবহ আগুন: ৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মাদক কারবারিদের নতুন তালিকায় বাদ পড়তে দৌড়ঝাঁপ জেলার শীর্ষ মাদক কারবারীদের টেকনাফে শিশু সুরক্ষা নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত: প্রশাসনের জোরালো পদক্ষেপের আশ্বাস

রাষ্ট্রপতিকে অবহিত না করেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার

আমাদের টেকনাফ ডেস্ক: / ৭৩ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেছেন, তাকে অবহিত না করেই অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদন করেছে। দৈনিক কালের কণ্ঠ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানানো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হলেও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি।

সর্বশেষ চুক্তি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তির পরিধি ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, অতীতে সরকারপ্রধানরা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করতেন। তিনি এটিকে একটি সাংবিধানিক রীতি ও দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে অনুসরণ করা হয়নি বলে দাবি করেন।

রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত থেকে দূরে রাখা হয়েছে এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় হয়নি।

তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকা থাকলেও পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ বা যোগাযোগ রাখা হয়নি। এমনকি একবারের জন্যও প্রধান উপদেষ্টা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির দাবি, তার নির্ধারিত দুইটি বিদেশ সফর বাতিল করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতেও তাকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির দীর্ঘদিনের প্রথা থাকলেও তা বন্ধ রাখা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, এক রাতের মধ্যে দেশের সব হাইকমিশন থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়, যা গণমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং প্রত্যাহার, জাতীয় দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্রে তার ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ রাখার ঘটনাও তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রপতির এসব বক্তব্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিসরে আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সাংবিধানিক রীতিনীতি মানা হচ্ছে কি না-সে প্রশ্নকে সামনে এনেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
Developed By AZAD WEB IT