রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাবরাং ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে নুরুল আলম টেকনাফকে বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা টেকনাফে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র-গুলিসহ ৩ জন আটক টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১৪ লাখ ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী আটক উখিয়া-টেকনাফে জেলা পুলিশের বড় সাফল্য: আত্মসমর্পণের ডাকে সাড়া দিয়ে ফিরছেন শীর্ষ ডাকাত ও মানব পাচারকারীরা দুর্নীতি মামলায় সাময়িক বরখাস্ত বান্দরবান সদর উপজেলার পিআইও টেকনাফে হ্নীলায় জামাল মার্কেটে ভয়াবহ আগুন: ৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মাদক কারবারিদের নতুন তালিকায় বাদ পড়তে দৌড়ঝাঁপ জেলার শীর্ষ মাদক কারবারীদের টেকনাফে শিশু সুরক্ষা নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত: প্রশাসনের জোরালো পদক্ষেপের আশ্বাস কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি টেকনাফ মডেল থানার সাইফুল ইসলাম

টেকনাফে অতিরিক্ত দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার: 

জিয়াবুল হক: / ২৩৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন পাম্প ও দোকান গুলোতে পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। সরকার ঘোষিত দামে বাজারে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। এমনকি ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার হাজার টাকা বেশি গুনেও পাওয়া যাচ্ছে না। এতে প্রতিদিনের বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর রান্না নিয়ে মারাত্মক সমস্যা পোহাতে হচ্ছে।
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও বাস্তবে সে দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ৩০০ টাকা দিয়েও অনেক এলাকায় মিলছে না। এতে গ্রাহকদের ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে অসন্তোষও।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টায় টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পেট্রোল পাম্প, মার্কেট ও এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ কমায় তারা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। অনেক ডিলারের দোকান ফাঁকা। কোনো কোনো দোকানে সীমিত সংখ্যক সিলিন্ডার থাকলেও তা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। একদিকে ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকা অন্যদিকে বাড়তি দামেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার আনতে পারছেন না তারা।
সরবরাহ সংকটের কারণে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট চলছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা ও নিম্নআয়ের মানুষেরা মাটির চুলা ব্যবহার করছেন।
ভোক্তারা বলছেন, বাসাবাড়িতে রান্নার একমাত্র ভরসা এলপি গ্যাস। সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ অতিরিক্ত দামে কিনছেন, আবার অনেক পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
টেকনাফ পৌরসভার বাস স্টেশন এলাকার চা বিক্রেতা নুর হোসেন বলেন, চায়ের দোকানে সিলিন্ডার গ্যাস আমাদের লাগেই। এই এলাকার কোনো দোকান থেকে সিলিন্ডার কিনতে পারছি না। বাধ্য হয়ে মাটির চুলা ব্যবহার করছি।
টেকনাফ পৌরসভার উপরে বাজার এলাকার দোকানি সিরাজ সওদাগর বলেন, অনেক খোঁজাখুঁজি পর ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালের দিজে ১ হাজার ৮০০ টাকায় একটি সিলিন্ডার পাইছি৷ দাম তো অনেক বেশি। কিন্তু কিছু করার নেই, গ্যাস তো লাগবেই এজন্য বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।
টেকনাফ শাপলা চত্বর এলাকার এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা ব্যবসায়ী মোশাররফ বলেন, আমরা আগে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন অনেকেই সিলিন্ডার চাচ্ছেন, আমরা দিতে পারছি না। পাইকারি বিক্রেতারা দাম বেশি নিচ্ছেন। কিন্তু গত দুদিন বেশি দামেও পাচ্ছি না।
কোম্পানি থেকে সরকারি দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাচ্ছেন কি না-এমন প্রশ্নে এই বিক্রেতা বলেন, কোম্পানি আমাদের থেকে সরকার নির্ধারিত দাম রাখছে। আমরা প্রতি সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা লাভ করি। ঘরভাড়া, ভ্যানভাড়া ও লেবার খরচ বাদ দিয়ে তেমন লাভ থাকে না।
টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলপিজি সংকটের সুযোগ নিয়ে অনেক পাইকারি ব্যবসায়ী বাড়তি দাম রাখছেন। কোথাও কোথাও অস্বাভাবিক দাম রাখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
Developed By AZAD WEB IT