রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাবরাং ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে নুরুল আলম টেকনাফকে বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা টেকনাফে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র-গুলিসহ ৩ জন আটক টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১৪ লাখ ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী আটক উখিয়া-টেকনাফে জেলা পুলিশের বড় সাফল্য: আত্মসমর্পণের ডাকে সাড়া দিয়ে ফিরছেন শীর্ষ ডাকাত ও মানব পাচারকারীরা দুর্নীতি মামলায় সাময়িক বরখাস্ত বান্দরবান সদর উপজেলার পিআইও টেকনাফে হ্নীলায় জামাল মার্কেটে ভয়াবহ আগুন: ৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মাদক কারবারিদের নতুন তালিকায় বাদ পড়তে দৌড়ঝাঁপ জেলার শীর্ষ মাদক কারবারীদের টেকনাফে শিশু সুরক্ষা নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত: প্রশাসনের জোরালো পদক্ষেপের আশ্বাস কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি টেকনাফ মডেল থানার সাইফুল ইসলাম

টেকনাফে লেবুর হালি ১২০, শসা ১২০: রমজানের শুরুতেই অস্থির কাঁচাবাজার

জিয়াবুল হক: / ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ন

পবিত্র রমজানের প্রথম দিন থেকেই টেকনাফ পৌরসভার হাটবাজার ও উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার গুলোতে কাঁচামালসহ নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ইফতারের অপরিহার্য অনুষঙ্গ লেবু ও শসার দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বাজারে বর্তমানে প্রতি হালি লেবু ১২০ টাকা এবং প্রতি কেজি শসা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে টেকনাফ পৌরসভার উপরে বাজার ও বাস স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দামের তীব্রতায় ক্রেতাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। বাজারে আসা ক্রেতাদের চোখে মুখে বিস্ময় আর কপালে চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট।

উপরে বাজারে আসা ক্রেতা মো. হাসান বলেন, “লেবুর দাম শুনে চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে। এক হালির দাম ১২০ টাকা! সবজি কিনলেও আজ আর লেবু কেনা সম্ভব হয়নি।”
কম্পিউটার দোকানদার ফয়সাল আধা কেজি শসা ৬০ টাকায় কিনে আক্ষেপ করে বলেন, “রমজানে শরীর ঠান্ডা রাখতে শসা কিনি, কিন্তু বাজারে এসে দেখি শসার বাজারই গরম। এভাবে চললে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে শসা খাওয়া আর সম্ভব হবে না।”

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় তারা নিরুপায়।
বাস স্টেশনের খুচরা ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, পাইকারি বাজারে প্রকারভেদে লেবু প্রতি হালি ৯০ থেকে ১০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।
হ্নীলা বাজারের বিক্রেতা জামাল জানান, দেশি সিলেটি লেবুর হালি ১২০ টাকা এবং এলাচ লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেন, এই সময়টায় উৎপাদন কম থাকায় প্রতি বছরই লেবুর দাম কিছুটা বাড়তি থাকে।

টেকনাফ পৌরসভার উপরে বাজারের কাঁচামাল আড়তদার গফুর বলেন, “দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় লেবুর উৎপাদন কম হয়েছে, যার ফলে বাজারে সরবরাহ কম। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় দাম চড়া। আগামী কয়েক দিন এই অবস্থা চলতে পারে।”

এদিকে সাধারণ মানুষের দাবি, রমজান মাসে অসাধু সিন্ডিকেট রুখতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা জরুরি। বিশেষ করে প্রতিটি দোকানে মূল্যতালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন তারা। বাজারের এই লাগামহীন দামে সীমিত আয়ের মানুষের রমজানের হিসাব মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এজাতীয় আরো সংবাদ দেখুন
Developed By AZAD WEB IT