বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে মাছটি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোট ঘাটে তোলা হয়। পরে মাছটি বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে আল গালিব ফিশিং ফিশারিতে রাখা হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম জানান, ট্রলারের মালিক মো. রাসেলের মালিকানাধীন একটি ট্রলার ৩ মার্চ টেকনাফ বোটঘাট থেকে সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় ঘেরা জালে বড় আকৃতির একটি বোল মাছ আটকা পড়ে। পরে ট্রলারটি মাছটি নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে টেকনাফে ফিরে আসে।
তিনি বলেন, আমি এবং জাফর মিলে মাছটি খরচসহ প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। মাছটির ওজন আনুমানিক ২০০ কেজির বেশি হতে পারে।
তিনি আরও জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের পাশের মাছ বাজারে মাছটি কেটে বিক্রি করা হবে। বাজারদর অনুযায়ী এর দাম নির্ধারণ করা হবে।
সিরাজুল ইসলাম জানান, এর আগেও গত বছরের রমজান মাসে একই ধরনের বড় আকারের বোল মাছ তারা বিক্রি করেছিলেন।
ট্রলারের মালিক মো. রাসেল জানান, তার ট্রলারটি ৩ মার্চ বোটঘাট থেকে সাগরে মাছ ধরতে যায়। পরে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় ঘিরা জালে একটি বড় আকৃতির বোল মাছ ধরা পড়ে।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রলারটি বোটঘাটে পৌঁছালে মাছটি স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী জাফর ও সিরাজের কাছে বিক্রি করা হয়। প্রায় ২০০ কেজি ওজনের এই মাছটি ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় কেনেন তারা।