টেকনাফ শহরের কয়েকটি মার্কেট ও কাপড়ের দোকানে ঘুরে দেখা যায়, যে কাপড় সাধারণ সময়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হতো, বর্তমানে তা বেড়ে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। একইভাবে বিভিন্ন শাড়ি, পাঞ্জাবি ও শিশুদের পোশাকেও অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।
ক্রেতাদের জোর দাবি, স্বাভাবিক তুলনায় এখন পোশাকের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে।
একাধিক ক্রেতা জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়ে পোশাকের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছেন। দরদাম করতে গেলে অনেক দোকানদার খারাপ ব্যবহারও করছেন বলে অভিযোগ রয়েছেন ক্রেতারা।
ক্রেতা তৌহিদ উদ্দিন বলেন, রমজান মাসের আগে ৫০০ টাকায় পাওয়া যেত, সেটা এখন দেড় হাজার টাকা চাইছে। এতে সাধারণ মানুষের পক্ষে ঈদের কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে ক্রেতারা মনে করছেন, এ ধরনের গলাকাটা বাণিজ্য বন্ধে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনা করা জরুরি বলে মনে করেন। নিয়মিত তদারকি না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা নিচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
এব্যাপারে টেকনাফ প্রেসক্লাবের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, টেকনাফ পৌরসভার মার্কেট গুলোতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হলে বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তিতে ঈদের কেনাকাটা করতে পারবেন বলে মনে করেন।