জনপ্রতিনিধি হওয়া অত্যাবশ্যকীয় নয়। জনবান্ধব ব্যক্তি হতে পারাটাই হলো উত্তম কাজ।
আপনি আপনার অবস্হান থেকে আপনার পাড়া-মহল্লা,সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারেন। যেমন এলাকার জনদূর্ভোগ, স্বাস্হ্যসেবা, নাগরিক সুবিধা, স্যানিটেশন ও হাইজিন সহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আপনার সুনিপুণ লিখনির মাধ্যমে হোক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ও ছোট ছোট কন্টেন্ট তৈরি করে তা আপলোড দিয়ে হোক।
তবে এই ধরণের কাজ করার ক্ষেত্রে আপনার মানসিক শক্তি ও সমাজে আপনার দায়বদ্ধতাকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে।
মনে রাখবেন,ভদ্র পল্লীতেও নেগেটিভ ধ্যান-ধারণার মানুষের অবস্হান আছে। এদের কারো কাজ অভ্যাসগত সমালোচনা করা। আবার কারো কাজ হলো সমালোচনার স্বার্থে সমালোচনা করা।
তবে যারা নি:স্বার্থে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই,তারা শত সমালোচনাকে উপেক্ষা করে ও কিছু কিছু পজিটিভ সমালোচনাকেও গ্রহণ করে।
আপনার কিছু জনকল্যাণকর কাজ অনেকের কাছে ভালো নাও লাগতে পারে। এতে আপনি আপনার সুন্দর মনের কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের স্পৃহা থেকে একচুলও নড়বেন না।
আবার মনে রাখবেন,আপনার নেওয়া প্রতিটি উদ্যোগ যদি জনগণের কল্যাণে হয় এবং আপনার চিন্তাভাবনা যদি সৎ হয়,তাহলে কে আপনার সুনাম করল আবার কে আপনার দুর্নাম করল, সেটা আপনার মস্তিষ্কে ধারণ করবেন না।
আপনার কর্মে যদি আপনি মনে শান্তি ও তৃপ্তি পান, তাহলে মহান সৃষ্টিকর্তাও আপনার প্রতি সহায় হবেন।
সাইফুল ইসলাম: শিক্ষক,লেখক ও সমাজকর্মী